1. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  2. msthoney406@gmail.com : ২৪ ঘন্টা খবর : ২৪ ঘন্টা খবর
তারা মুসলমানের সন্তান, তারা আমাদেরই বোন: আহমাদুল্লাহ - ২৪ ঘন্টা খেলার খবর!
সর্বশেষ:
এবার টি-২০ বিশ্বকাপে কঠিন গ্রুপে মেয়েরা সকলকে তাক লাগিয়ে সিপিএলের সেরা একাদশে মোহাম্মদ আমির যে কারণে বিশ্বকাপ থেকেও বাদ পড়লেন বুমরাহ গুরুত্বপূর্ণ ২ ক্যাচ ফেলে ইংরেজদের নিজ হাতে সিরিজ উপহার দিলো বাবর, নেটদুনিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিলেন ভক্ত-সমর্থকেরা (ভিডিও দেখতে ছবিতে ক্লিক করুন) ত্রিদেশীয় সিরিজের ১ম ম্যাচেই নতুন মাইলফলক গড়ার দ্বারপ্রান্তে সাব্বির ২টি নতুন চমক দেখিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশ ঘোষণা! নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ এবার বাংলাদেশ দলের এমন বিশ্বকাপ যাত্রা নিয়ে প্রশ্ন বুলবুলের সাব্বিরের জায়গাই ফের ওপেনিংয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন এই তারকা ক্রিকেটার সোহান কিংবা লিটন নয়, ধোনির মতো ঠান্ডা মাথার চিকন বুদ্ধিদীপ্ত অধিনায়ক খুঁজে পেলো বিসিবি

তারা মুসলমানের সন্তান, তারা আমাদেরই বোন: আহমাদুল্লাহ

  • আপডেট করা হয়েছে: বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৫৮ বার পঠিত:

নেপালকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো সাফ ফুটবলের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ নারী দল। সাবিনা-সানজিদাদের দক্ষিণ এশিয়া জয়ের বন্দনায় মাতছে পুরো দেশ। বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে তাদের এই জয়কে তুলে ধরছেন, অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

নারী ফুটবল দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়া ও ধর্মের প্রসঙ্গ টেনে আনা নিয়ে সম্প্রতি একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ। তার স্ট্যাটাসটি  হুবহু তুলে ধরা হলো―

‘মহিলা ফুটবল দলের শিরোপা জেতায় যারা অতি উৎফুল্ল, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় পর্দানশীন মেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করার ঘটনায় তাদের এতো উৎফুল্ল হতে দেখা যায় নি কেন? তবে কি তাদের লক্ষ্য নারীর উন্নতি নাকি উন্নয়নের নামে নারীর

উন্মুক্ত উপস্থাপন? যারা নারী ফুটবলারদের দিয়ে এদেশে ‘ধর্মবিদ্বেষ’ কায়েম করতে চাইছেন, তাদের ভাবখানা এমন যেন মহিলা ফুটবল দল নেপালের বিরুদ্ধে খেলতে নামে নি, বরং ইসলামের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছিল! বাস্তবতা হলো, এদেশের

মানুষ ধর্মপরায়ণ। খেলোয়াড়রাও এর বাহিরে নন। আপনারা যাদের ‘ইউজ’ করে ইসলামবিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন, তাদের একজন আল্লাহর উপর ভরসার কথা লিখে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। আরেকজন মাকে নামাজ-রোজা করতে বলেছেন। কখনো

আবার পুরো দল সিজদায় লুটিয়ে পড়ে। এ থেকে পরিষ্কার যে, তারা মুসলমানের সন্তান। তারা আমাদেরই বোন। হয়তো ইসলাম সম্পর্কে সঠিক ধারণা তাদের নাই। যারা পাহাড়ী আছেন, তারাও আমাদের অংশ। তাছাড়া এসব মেয়েরা নিতান্ত গরীব ঘরের

সন্তান। যদি তারা একটু সচ্ছল ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতেন তাহলে তাদের কয়জন ফুটবলকে পেশা হিসেবে বেছে নিতেন সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ বিষয়। সুতরাং ‘নারীবাদ’-এর মতো বড়লোকি তত্ত্ব তাদের জীবনে একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বহীন।

অতএব, এদের দিয়ে ইসলাম বিদ্বেষ ও আলেমদের প্রতি ঘৃণার চাষাবাদ ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের এই দেশে সফল হবে না। বরং তাদের মধ্যে সামান্য দাওয়াতী কাজ করা গেলে এরা একেকজন হাজারো মানুষের হেদায়েতের কারণ হতে পারেন ইন শা

আল্লাহ। তবে এটা সত্য যে, যেটাকে খেলা বলা হচ্ছে সেটা মূলতঃ একটা সাংস্কৃতিক যুদ্ধ। সেই যুদ্ধে যাদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে অনেক সময় তারা নিজেরাও জানেন না যে, সামান্য পয়সার বিনিময়ে তাদের কোন্ কাজে ইউজ করা হচ্ছে। মহান আল্লাহ তাদের ও ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ লালনকারীদের হেদায়েত দান করুন।’

খবরটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2022 24hourskhobor.com
Site Customized By NewsTech.Com