1. Mijankhan298@gmail.com : Mijankhan :
  2. msthoney406@gmail.com : ২৪ ঘন্টা খবর : ২৪ ঘন্টা খবর
আমাদের চাওয়া পূরণ হয়েছে তবে শান্তি পাবো যদি রায় কার্যকর হয! - ২৪ ঘন্টা খেলার খবর!
সর্বশেষ:
অবাক ক্রিকেটবিশ্ব, ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ছে দক্ষিণ আফ্রিকা প্লেয়ার্স ড্রাফটে পর এবার সরাসরি চুক্তিতে এই ভয়ংকর লেগ স্পিনার দলে নিল ঢাকা ডমিনেটর্স অবশেষে নতুন চমক দিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে দল ঘোষণা করলো নিউজিল্যান্ড সুখবর দিলেন নেইমার নকআউটের স্বপ্ন টিকিয়ে রাখল জার্মানি ‘বিশ্বকাপ ব্যর্থতার জন্য আইপিএল দায়ী নয়’ কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করতে সুইজারল্যান্ডের মুখোমুখি হতে না হতেই অতীতের রেকর্ড নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় ব্রাজিল ১ নজরে দেখেনিন গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পোল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করেও যেভাবে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করতে পারে মেসির আর্জেন্টিনা শফিকুলের শেষ ওভারের নাটকীয় ৬ রানের জয়ে সাউথ জোনকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন মাহমুদউল্লাহ নর্থ জোন সাকিবের দুর্দান্ত বোলিংয়ের পরও টানা হারের স্বাদ পেলো বাংলা টাইগার্স

আমাদের চাওয়া পূরণ হয়েছে তবে শান্তি পাবো যদি রায় কার্যকর হয!

  • আপডেট করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৭০২ বার পঠিত:

‘সিনহা সব সময় আশাবাদী মানুষ ছিল। সে আমাদের আশাবাদী হতে শিখিয়েছে। এই রায়ও আমাদের আশাবাদী করেছে। তবে প্রত্যাশা আর সন্তুষ্টি ভিন্ন জিনিস। এই রায়ে প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। ত’খনই সন্তুষ্টি আসবে, যখন বাকি প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে রায় কার্যকর হবে।’ অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার রায়ের পর তাঁর বড় বোন

শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস গতকাল সোমবার রাতে কালের কণ্ঠের কাছে এই প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি এই মামলার বাদী। আর সিনহার মা নাসিমা আক্তার বললেন, ‘এই রায় বাংলাদেশের ইতিহাসে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আমরা বহুলাংশে সন্তুষ্ট। আমাদের আশা এবং বিশ্বাস, উচ্চ আদালতে সময়ক্ষেপণ হবে না, দ্রুত ফাঁসির রায়

কার্যকর হবে।’ সিনহার বড় বোন বলেন, শুদ্ধ আত্মার শক্তি থাকে। মেজর সিনহা বিশুদ্ধ ছিলেন। তিনি দেশপ্রেমিক ছি’লেন। সেই আত্মার শক্তির কারণে রায়ে কেউ বাধা হতে পারেনি। তিনি বলেন, তাঁর ভাই সব সময় আশাবাদী ছিলেন। ভাইয়ের সেই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য তাঁরাও ধারণ করেছেন। মামলা দায়েরের পর থেকে

তাঁরা আশাবাদী ছিলেন। এখন আশা করেন, দ্রুত রায় কার্যকর হবে। মা’মলার বাদী বলেন, অনেক চ্যালেঞ্জ পার হয়ে প্রধান দুই অপরাধীর ফাঁসির রায় এসেছে। করোনা মহামারির কারণে কয়েক দফা বিচার কাজ ব্যাহত হয়েছে। আদালত আন্তরিক ছিলেন। দ্রুত শুনানি শেষ

করেছেন। এই রায়ের পর আ’দালতের প্রতি মানুষের আস্থা আরো বাড়বে বলে মনে করেন মেজর সিনহার বোন। তিনি বলেন, এটা অপরাধীদের জন্য শিক্ষা। যে যত বড় হোক না কেন, যে পোশাকে থাকুক না কেন, অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হবে—এ রায়ে তা প্রমাণিত হয়েছে। তিনি বলেন, এই মামলার

রায় কী হয়, তা নিয়ে সারা দেশের মানুষের দৃষ্টি ছিল। সাধারণত ব্যক্তি পর্যায়ের কোনো মামলা মানুষ এভাবে মনে রাখে না। সাত আসামির খালাস পা’ওয়ার বিষয়ে মামলার বাদী বলেন, ‘বিজ্ঞ আদালতের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, আমার ভুল হতে পারে, তবু বলছি,

যাঁরা খালাস পেয়েছেন তাঁরা কোনো না কোনোভাবে এই হত্যার সাহায্যকারী ছিলেন। অপরাধীরা যদি ব’লেন, ওপরের নির্দেশ পালন করতে বাধ্য হয়েছি, তা মানা যায় না। কারণ তাঁর বস যদি বলেন অন্যজনের পা ভেঙে দিতে, তাহলে তিনি তা-ই করবেন? তাঁকে তো সেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি। এটা মানবিকও

হতে পারে না।’ সিনহার বোন বলেন, ‘তাঁর ভাইয়ের জীবনীশক্তি ছিল অনেক বেশি। গুলি করার পরও অ’নেকক্ষণ বেঁচে ছিলেন। তাঁকে সঠিক সময়ে হাসপাতালে নিলে হয়তো বেঁচেও যেতে পারতেন। এখানে তাদের দায়িত্বে অবহেলা ছিল। ’ শারমিন শাহরিয়া আরো বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা, কেউ যেন আর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার না হয়। প্রত্যেকেরই

আইনের আশ্রয় পাওয়ার অধিকার আছে। এই রায়ে এটিই প্রতিষ্ঠা হয়েছে।’ মামলার বাদী আরো বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই প্রদীপ এবং লিয়াকতের সর্বোচ্চ সাজা চেয়েছি। আমরা বলিনি, সবাইকে ফাঁসি দিতে হবে। বলেছি, অপরাধ অনুযায়ী সাজা দিতে হবে। এটি হলে দৃষ্টান্ত স্থাপিত হতো। ’ তিনি বলেন, দেশ এবং দেশের বাইরে থেকে অনেক অচেনা মানুষ

তাঁদের ফোন দিয়ে সহানুভূতি জানাচ্ছে। মানুষের ভালোবাসার প্রতি তাঁরা কৃতজ্ঞ। ছেলে হত্যার রায় শুনতে সিনহার মা নাসি’মা আক্তারও গতকাল কক্সবাজার যান। রায় ঘোষণার সময় তিনি মেয়েকে নিয়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2022 24hourskhobor.com
Site Customized By NewsTech.Com